শিরোনাম
◈ নতুন মোড় তনু হত্যা মামলায়, সাবেক দুই সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ◈ রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ককে হত্যা ◈ পদ্মার চর থেকে সবুজ জ্বালানি : পাবনায় দুই সোলার পার্কে ১৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, যোগ হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে ◈ মঙ্গলবার ভো‌রে বিশ্বকাপের শেষ প্রস্তুতি ম‌্যা‌চে মিশ‌রের মু‌খোমু‌খি ব্রাজিল ◈ কোরআ‌নে চুমু দি‌য়ে যাত্রা শুরু, মেক্সিকোতে ইরানের বিশ্বকাপ দল‌কে উষ্ণ অভ্যর্থনা ◈ নাহিদ রানাকে নিয়ে আতং‌কে আ‌ছি, বললেন অ‌স্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ◈ মোবাইলের স্ক্রিন থেকে মাঠে ফিরুক শিশুরা, খেলার মাঠ ও পার্ক দখলমুক্তের ঘোষণা সংসদে ◈ ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেই, তবু বলছি’— আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার তোপ ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে ইংল্যান্ড দ‌লের ক‌্যা‌ম্পের কা‌ছেই বন্দুক হামলা, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বিশ্বকাপের অ‌নেকগুলো দল ◈ এলডিসি উত্তরণের প্রভাব: ঝুঁকিতে সাড়ে ১৭ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:১৩ রাত
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিজের বিয়ে ঠেকাতে পুলিশের দ্বারস্থ এসএসসি পরীক্ষার্থী

নিজের বিয়ে থামাতে শেষ পর্যন্ত পুলিশের সাহায্য নিতে দুই দফা থানায় গিয়েছেন পিরোজপুরের এক স্কুল শিক্ষার্থী। শুক্রবার বাড়ি থেকে কৌশলে বের হয়ে থানায় গিয়ে অভিযোগ দেন তিনি। মুচলেকা দিয়ে তার বাবা বাড়িতে এনে আবারও বিয়ের চাপ দিলে শনিবার ফের থানায় আশ্রয় নেন ওই স্কুলছাত্রী। 

স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার উপজেলার চাড়াখালী গ্রামের আলম হাওলাদার তার মেয়ে তহমিনাকে প্রবাসী এক ছেলের সঙ্গে বিয়ের আয়োজন করে। তবে বিয়েতে তহমিনা রাজি ছিলেন না। সে প্রাইভেট পড়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে ইন্দুরকানী থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। পরে থানায় বিয়ে না দেওয়ার মুচলেকা দিয়ে তহমিনাকে বাড়িতে নিয়ে আসে আলম। কিন্তু বাড়ি আনার পরই পরিবারের লোকজন তহমিনাকে নানাভাবে মানসিক চাপ প্রয়োগ করে এবং বিয়েতে রাজি করানোর চেষ্টা করেন। এ ঘটনার পর শনিবার সকালে তহমিনা আবারও থানায় গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করে।

তহমিনা থানায় বসে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাকে যদি আবারও বাড়িতে পাঠান, তাহলে আমার বাবা জোর করে বিয়ে দিবে। ৪ দিন পর আমার এসএসসি পরীক্ষা। আমি পরীক্ষা দিতে চাই এবং লেখাপড়া চালিয়ে যেতে চাই। আমি প্রশাসন ও আপনাদের সহযোগিতা চাই।’

দ্বিতীয়বার থানা পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের মাধ্যমে থানায় বসে মেয়েকে বাল্যবিবাহ দিবেনা বলে অঙ্গীবার করে মুচলেকা দিয়ে বাবা আলম হাওলাদার তার মেয়েকে বাড়ি নিয়ে যান।
 
তহমিনার বাবা আলম হাওলাদার বলেন, ‘আমি গরীব মানুষ। ভালো ছেলে পাওয়ায় আমি মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার জন্য আয়োজন করি। কিন্তু মেয়ে বিয়েতে রাজি হয়নি। আমি সবার সিদ্ধান্ত মেনে নিলাম। উপযুক্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত তহমিনাকে বিয়ে দিবো না।

এ বিষয়ে ইন্দুরকানী থানার এস আই সাইদুর রহমান বলেন, সরকারি সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের এসএসসি পরিক্ষার্থী তহমিনা আক্তার। তিনি বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষার জন্য দুইবার থানায় এসেছে। আমরা তার অভিভাবককে ডেকে বাল্যবিবাহ দিবেনা এই মর্মে মুচলেকা রেখে তার বাবার কাছে দিয়েছি। উৎস: সমকাল।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়