শিরোনাম
◈ কর্ণফুলী টানেল: দৈনিক আয় ১১ লাখ কিন্তু ব্যয় সাড়ে ৩৭ লাখ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যানবাহন চলাচল ৭ গুণ কম ◈ লেবানন ইস্যুতে নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, ‘হাতাহাতি’র উপক্রম হয়েছিল বলে দাবি মার্কিন দূতের ◈ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ◈ ঢামেক মর্গের ফ্রিজার এক সপ্তাহ ধরে অচল, ছড়াচ্ছে লাশ পচা গন্ধ ◈ বাংলাদেশিদের জন্য আবার খুলছে মরিশাসের শ্রমবাজার ◈ এনসিটি পরিচালনায় প্রস্তাব দিল দুই এমপির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কনসোর্টিয়াম ◈ জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাত ◈ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, সুবিধা পাবেন উদ্যোক্তারা ◈ প্রতিযোগিতায় টিকতে টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার ম‌ধ্যে ওয়ান‌ডে সিরিজের প্রথম ম‌্যাচ আজ

প্রকাশিত : ০৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩২ রাত
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুড়িগ্রামে ধানক্ষেতে জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা এঁকে স্কুলশিক্ষকের কৃতিত্ব

অনিরুদ্ধ রেজা, কুড়িগ্রামঃ কুড়িগ্রামের উলিপুরে ধানক্ষেতে জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা ফুটিয়ে তুলে আবারও আলোচনায় এসেছেন এক স্কুলশিক্ষক। তিনি উপজেলার পৌর শহরের পুব নাওডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা এবং উলিপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে, উলিপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাফর সাদিক।

চলতি বোরো মৌসুমে নিজস্ব প্রায় ১৭ বিঘা জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করছেন জাফর সাদিক। এর মধ্যে ব্রি ধান-১১৩ এর ক্ষেতে বেগুনি রঙের ধানের চারা ব্যবহার করে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের আকৃতি ফুটিয়ে তুলেছেন। দূর থেকেই স্পষ্ট দেখা যায় এই নকশা, যা পথচারীদের দৃষ্টি কাড়ছে।

এর আগেও তিনি ধানক্ষেতে জাতীয় ফুল, জাতীয় পতাকা এবং বাংলাদেশের মানচিত্রের নকশা তৈরি করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। পেশায় শিক্ষক হলেও কৃষির প্রতি তার রয়েছে গভীর অনুরাগ। নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি তিনি নিজেই জমিতে চাষাবাদ করেন এবং সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে দেশপ্রেম তুলে ধরার চেষ্টা করেন।

এসএসসি পরীক্ষার্থী রাকিব হাসান, শরিফ উদ্দিন ও আমিনুল ইসলামসহ অনেকেই বলেন, “আমরা দূর থেকে এখানে দেখতে এসেছি। ধানক্ষেতে এমন নকশা দেখে খুব ভালো লাগছে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, “একজন শিক্ষক হয়ে কৃষিকাজে এমন সৃজনশীলতা দেখানো সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। তিনি আমাদের এলাকার গর্ব।

এ বিষয়ে জাফর সাদিক বলেন, “শিক্ষকতা আমার পেশা, কৃষি আমার নেশা, আর দেশপ্রেম আমার বিশ্বাস। সেই বিশ্বাস থেকেই কৃষিক্ষেত্রকে দেশপ্রেম জাগানোর একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছি।

বিদ্যালয়ে আমি বইয়ের মাধ্যমে ইতিহাস শেখাই, আর মাঠে মাটির মাধ্যমে সেই ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করি।

উলিপুর-রাজারহাট সড়কের পাশে অবস্থিত তার এই ধানক্ষেত প্রতিদিন শত শত মানুষের নজর কাড়ছে। অনেক পথচারী থেমে ছবি তুলছেন এবং স্মরণ করছেন স্বাধীনতার রক্তঝরা ইতিহাস। এই সৃজনশীল উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে জাফর সাদিক বলেন, মানুষের আগ্রহই তার কাজের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়