শিরোনাম
◈ কর্ণফুলী টানেল: দৈনিক আয় ১১ লাখ কিন্তু ব্যয় সাড়ে ৩৭ লাখ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যানবাহন চলাচল ৭ গুণ কম ◈ লেবানন ইস্যুতে নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, ‘হাতাহাতি’র উপক্রম হয়েছিল বলে দাবি মার্কিন দূতের ◈ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ◈ ঢামেক মর্গের ফ্রিজার এক সপ্তাহ ধরে অচল, ছড়াচ্ছে লাশ পচা গন্ধ ◈ বাংলাদেশিদের জন্য আবার খুলছে মরিশাসের শ্রমবাজার ◈ এনসিটি পরিচালনায় প্রস্তাব দিল দুই এমপির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কনসোর্টিয়াম ◈ জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাত ◈ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, সুবিধা পাবেন উদ্যোক্তারা ◈ প্রতিযোগিতায় টিকতে টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার ম‌ধ্যে ওয়ান‌ডে সিরিজের প্রথম ম‌্যাচ আজ

প্রকাশিত : ০৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৪০ সকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পঞ্চগড়ে চৈত্র মাসে শীত ও কুয়াশার অস্বাভাবিক চিত্র

এক সপ্তাহ ধরে পঞ্চগড়ে ‘বাষ্পীয় কুয়াশা’ বিরাজ করছে। চৈত্র মাসে এমন কুয়াশা জেলার প্রবীণরা আগে কখনও দেখেননি বলছেন। এ সময়টাতে কাঠফাটা রোদ্দুর আর অতিরিক্ত তাপমাত্রায় হাঁসফাঁস করার কথা, অথচ এবার তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই চোখে পড়ছে ঘন

কুয়াশা। সঙ্গে বয়ে যাচ্ছে শীতল বাতাস। আবহাওয়ার এই অস্বাভাবিক পরিবর্তনে দেখা দিয়েছে নানান রোগবালাই।

এই অঞ্চল চৈত্র মাসে এবার ঢাকা থাকছে ঘন কুয়াশায়। পড়ছে কুয়াশা বৃষ্টি। যেন মাঘ মাসের শীতের আমেজ।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘এক সপ্তাহ ধরে পঞ্চগড়ে ১৮ থেকে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে ২২ ডিগ্রি থেকে ২৫ ডিগ্রি পর্যন্ত। বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়া দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমে যাওয়া, জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া এবং জলীয় বাষ্প দ্রুত ঘনীভূত হওয়ার কারণে ঘন কুয়াশা দেখা দিচ্ছে। এটিকে মূলত বাষ্পীয় কুয়াশা বলা যেতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ ২০ চৈত্র, ৩ এপ্রিল। আজকের সকালটা পুরোটাই অন্যরকম। চারিদিকে ঘন কুয়াশা– গাছপালা, মাঠ-ঘাট সব ঢেকে গেছে কুয়াশায়। রাস্তাঘাটে যানবাহনগুলো চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। অথচ এই সময়টাতে প্রচণ্ড গরম লাগার কথা, রোদের তাপে শরীর পুড়ে যাওয়ার কথা। গরমে মানুষ হাসফাঁস করে, ফ্যান চালিয়েও স্বস্তি পায় না। সেই সময়ে ঘন কুয়াশা আর ঠান্ডা সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।’

জেলা শহরের ডোকড়ো পাড়া এলাকার ষাটোর্ধ্ব তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘জীবনে আমি এমন আবহাওয়া দেখিনি। চৈত্র মাসের গরমে যেখানে সহ্য করা মুশকিল হয়ে পড়ে, সেখানে কাথা-কম্বল গায়ে নিয়ে রাতে ঘুমাতে হচ্ছে।’

শহরের মসজিদপাড়া এলাকার নারী শ্রমিক সফিজা বেগম বলেন, ‘সকাল থেকে ঘন কুয়াশা, মাঝে মাঝে বাতাস বয়ে যাচ্ছে। সকালে বের হলে গরম কাপড় পরতে হয়।’

পরিবহন শ্রমিক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘চৈত্র মাসে ঘন কুয়াশার কারণে হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চলাচল এবারই প্রথম দেখলাম।’

এই এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবারও এমন চিত্র দেখা গেছে। কুয়াশা কেটেছে সকাল ১১টার পর। আজ শুক্রবারও একই রকম আবহাওয়া বিরাজ করছে। কখন সূর্যের মুখ দেখা যাবে তা বলা যাচ্ছে না।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়