শিরোনাম
◈ কর্ণফুলী টানেল: দৈনিক আয় ১১ লাখ কিন্তু ব্যয় সাড়ে ৩৭ লাখ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যানবাহন চলাচল ৭ গুণ কম ◈ লেবানন ইস্যুতে নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, ‘হাতাহাতি’র উপক্রম হয়েছিল বলে দাবি মার্কিন দূতের ◈ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ◈ ঢামেক মর্গের ফ্রিজার এক সপ্তাহ ধরে অচল, ছড়াচ্ছে লাশ পচা গন্ধ ◈ বাংলাদেশিদের জন্য আবার খুলছে মরিশাসের শ্রমবাজার ◈ এনসিটি পরিচালনায় প্রস্তাব দিল দুই এমপির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কনসোর্টিয়াম ◈ জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাত ◈ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, সুবিধা পাবেন উদ্যোক্তারা ◈ প্রতিযোগিতায় টিকতে টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার ম‌ধ্যে ওয়ান‌ডে সিরিজের প্রথম ম‌্যাচ আজ

প্রকাশিত : ০২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:০৬ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আনোয়ারায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে ৫দিনেও অনিয়ম, প্রশাসনের দায়সারা মন্তব্য 

এস এম সালাহউদ্দিন, আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) : চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হওয়া স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গত ২৯ মার্চ থেকে উপজেলার ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য এ কার্যক্রম শুরু হলেও শুরু থেকেই মানসম্মত খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়রা।

অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্বদেশ পল্লী নিম্নমানের ও অস্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহ করছে। কার্যক্রম শুরুর পর গত পাঁচ দিন ধরে শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো খাবার পাচ্ছে না। কোথাও খাবার দেরিতে পৌঁছাচ্ছে, আবার কোথাও সরবরাহকৃত খাবারের মান অত্যন্ত নিম্নমানের।

সর্বশেষ আজ ২ এপ্রিল শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবারের মধ্যে পচা ও বাসি ডিম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিভাবকদের দাবি, এ ধরনের খাবার খেলে শিশুদের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক মহলে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ অনিয়মের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেক নেটিজেনরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্বদেশ পল্লীর নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। 

একই সঙ্গে একাধিক সংবাদকর্মী বিষয়টি জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে তুলে ধরলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ এখনো চোখে পড়েনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে একাধিকবার জানানো হলেও তারা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে বলে দায়সারা মন্তব্য করছেন। এতে করে সমস্যার সমাধান তো হচ্ছেই না, বরং দিন দিন পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে।

অভিভাবক ও সচেতন মহলের দাবি, শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে এ ধরনের অবহেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, নিম্নমানের খাবার সরবরাহ বন্ধ এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চুক্তি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি ও কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়