শিরোনাম
◈ প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ওলিসের হ্যাটট্রিক, আয়ারল‌্যান্ড‌কে ৩-১ গো‌লে হারা‌লো ফ্রান্স ◈ শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তন: বাংলা-ইতিহাসসহ কয়েকটি বিষয় বাদ, যুক্ত হচ্ছে এআই, বিদেশি ভাষা, ফ্রিল্যান্সিং ও কারিগরি শিক্ষা ◈ বিশ্বকাপে রোনালদো না মেসি, কে করবেন বেশি গোল? ভবিষ্যদ্বাণী এমবাপের ◈ ‌ফিফার ঘোষণা, বিশ্বকাপে চোটের অভিনয় করলেই শাস্তি ◈ কর্ণফুলী টানেল: দৈনিক আয় ১১ লাখ কিন্তু ব্যয় সাড়ে ৩৭ লাখ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যানবাহন চলাচল ৭ গুণ কম ◈ লেবানন ইস্যুতে নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, ‘হাতাহাতি’র উপক্রম হয়েছিল বলে দাবি মার্কিন দূতের ◈ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ◈ ঢামেক মর্গের ফ্রিজার এক সপ্তাহ ধরে অচল, ছড়াচ্ছে লাশ পচা গন্ধ ◈ বাংলাদেশিদের জন্য আবার খুলছে মরিশাসের শ্রমবাজার ◈ এনসিটি পরিচালনায় প্রস্তাব দিল দুই এমপির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কনসোর্টিয়াম

প্রকাশিত : ০১ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৩৬ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া শিশুর মৃত্যু, ভর্তি ৩৪

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : কক্সবাজারে হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে উপসর্গ নিয়ে ৩৪ জন ভর্তি রয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, হামের উপসর্গ থাকা রোগিদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাব পাঠানো হয়। এ রির্পোট না পাওয়া পর্যন্ত হামে আক্রান্ত বলা যাবে না। বুধবার উপসর্গ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় মহেশখালীর বাসিন্দা সরওয়ার আলমের কন্যাশিশু হিরা মনিকে। ভর্তির পর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। চিকিৎসকরা শিশুটির খাবারের ক্ষেত্রে নিদের্শনা প্রদান করলেও তা মানেননি অভিভাবকরা। শক্ত খাবার গলায় আটকে শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসকরা তথ্য দিয়েছে। 

তিনি জানান, মঙ্গলবার হাসপাতালে ৩৭ জন ভর্তি ছিলেন। এর মধ্যে ১৬ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। বুধবার নতুন করে ভর্তি হয়েছে ১৩ জন। এনিয়ে ৩৪ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর জানান, কক্সবাজার থেকে বুধবার পর্যন্ত ৭১ জন হামের উপসর্গ থাকা রোগির নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়। যেখানে ৩০ জন হামের আক্রান্ত শিশু শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত হওয়াদের মধ্যে কেউ মৃত্যু বরণ করেনি। মঙ্গলবারে মারা যাওয়া একটি শিশু হামে আক্রান্ত বলা হলেও তার হোম শনাক্ত হয়নি। 

তিনি বলেন, বুধবার মারা যাওয়া শিশুটির নমুনা প্রতিবেদন পাওয়ার পর মারা যাওয়ার কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. শহিদুল আলম জানান, বুধবার একটি শিশু মারা গেছে। শিশুটির হামের পাশাপাশি নিউমোনিয়া ও মুখে ঘা ছিলো। তবে মুখে খেতে না পারায় মুখে নল দিয়েছিলাম। তবে অভিভাবক ভুলবশত মুখে খাওয়াতে গিয়ে নাকে-মুখে হয়ে শিশুটি অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে যায়। পরে বহু চেষ্টার পরেও আমরাকে শিশুটিকে বাঁচাতে পারিনি।

ডা. মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর বলেছেন, কক্সবাজারে সাম্প্রতিক সময়ে হামের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা দিচ্ছে। জেলার মহেশখালী, হোয়াইক্যং, রামুর মিঠাছড়ি, শহরের কালুরদোকান, পাহাড়তলি, রুমালিয়ারছড়া এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি।

ডা. মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর জানান, হামের টিকা ৯ মাসে এবং ১৫ মাসে দুইবার দেওয়া হয়। কক্সবাজারের ৯৫ শতাংশ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনা হয়েছে এবং হামের টিকার পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। কক্সবাজার অন্যান্য জেলার চেয়ে ভালো থাকে সবসময়। তবুও কিছু শিশুর সাকসেস রেট কম। এছাড়া আমরা নারীদের ঘরে ঘরে গিয়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়