শিরোনাম
◈ ব্যাংক অনুদানের অডিট ২০১৫-২৪: প্রধানমন্ত্রীর তহবিল ও হাসিনা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গেছে ১২৪৩ কোটি ◈ আমদানি নিরুৎসাহিত করতে নতুন বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে! ◈ দে‌শের বিপর্যস্ত জনগণ ফে‌লে রাজনী‌তি থে‌কে বিশ্রা‌মে যা‌বো না: 'এই সময়' অনলাইনে শেখ হা‌সিনার সাক্ষাৎকার ◈ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: আস্থার সংকট কতটা গভীর? ◈ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের, টোল নির্ধারণে ওমানের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্ত ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা মেসিনির্ভর দল নয়: কোচ ◈ ‘৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়নি’, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবির জবাবে বিজিবি ◈ প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ওলিসের হ্যাটট্রিক, আয়ারল‌্যান্ড‌কে ৩-১ গো‌লে হারা‌লো ফ্রান্স ◈ শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তন: বাংলা-ইতিহাসসহ কয়েকটি বিষয় বাদ, যুক্ত হচ্ছে এআই, বিদেশি ভাষা, ফ্রিল্যান্সিং ও কারিগরি শিক্ষা ◈ বিশ্বকাপে রোনালদো না মেসি, কে করবেন বেশি গোল? ভবিষ্যদ্বাণী এমবাপের

প্রকাশিত : ৩০ মার্চ, ২০২৬, ০৬:২৮ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্কুল শিক্ষার্থীদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ শুরু করেছে সুশীলন

মনিরুল ইসলাম : যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার ১৫৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৯ হাজার ৩০১ জন শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর খাবার (টিফিন) সরবরাহ শুরু করেছে উন্নয়ন সংস্থা ‘সুশীলন’। সরকারের ‘স্কুল ফিডিং কর্মসূচি’ বা ‘মিড ডে মিল’ প্রকল্পের আওতায় এই পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। এখন থেকে শিক্ষার্থীরা টিফিনে পাবে পুষ্টিকর বনরুটি, কলা বা স্থানীয় মৌসুমি ফল, সেদ্ধ ডিম, ফর্টিফাইড বিস্কুট এবং ইউএইচটি দুধ।

আজ সোমবার কেশবপুর উপজেলার বেগমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রেহেনেওয়াজ, সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা (বাবু), উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার, সুশীলনের উপ-পরিচালক ও প্রকল্প ফোকাল শাহিনা পারভীন, বেগমপুর সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শংকরী চক্রবর্তী, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে শিশুদের বিদ্যালয়মূখী করতে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন। তিনি বলেন, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের শিশুরা ক্ষুধা ও অপুষ্টির কারণে বিদ্যালয়ে অনিয়মিত হয়ে পড়ে বা এক পর্যায়ে পড়াশোনা থেকে ঝরে যায়। এই প্রবণতা বন্ধের পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সহায়তায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। যা শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে সহায়তা করবে।

স্বাগত বক্তব্যে সুশীলনের উপ-পরিচালক শাহিনা পারভীন বলেন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি সরকারের একটি ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ। শিক্ষার্থীদের অপুষ্টি দূর, বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানো এবং ঝরে পড়া রোধ করতে স্কুলগুলোতে পুষ্টিকর বনরুটি, কলা ও সেদ্ধ ডিম সরবরাহ করবে সুশীলন। এছাড়া ফর্টিফাইড বিস্কুট এবং ইউএইচটি দুধ বিতরণ করা হবে। এতে প্রয়োজনীয় শক্তি, প্রোটিন ও ভিটামিনের যোগান পাবে শিক্ষার্থীরা, যা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়ক হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সরকারের স্কুল ফিডিং কর্মসূচিকে ইতিবাচক উল্লেখ করে অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, টিফিনে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ কার্যক্রম শিশুদের বিদ্যালয়ের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করবে এবং নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের ঝরে পড়ার হার কমবে এবং একটি সুস্থ, শিক্ষিত ও সচেতন প্রজন্ম গড়ে উঠবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়