শিরোনাম
◈ আগামী বাজেটে স্টার্ট-আপ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ◈ যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হলো বিশ্বকা‌পের ফিফা রেফারি ওমর আরতান‌কে ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে বিশ্বকাপ চলাকালীন খলনায়ক হয়ে আস‌তে পারে বজ্রঝড় ◈ রাশিয়ার শ্রমবাজারে বড় সুযোগ: ১ লাখ বাংলাদেশি নেওয়ার প্রস্তাবে সম্মতি মস্কোর ◈ কুমিল্লার নিমসার বাজার এলকায় অটোরিকশা শ্রমিকদের তাণ্ডব, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর (ভিডিও) ◈ যে কারণে ইসরায়েলে হামলার সময় ইরানের কোনও ক্ষেপণাস্ত্রই ঠেকায়নি যুক্তরাষ্ট্র! ◈ ব্যাংক অনুদানের অডিট ২০১৫-২৪: প্রধানমন্ত্রীর তহবিল ও হাসিনা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গেছে ১২৪৩ কোটি ◈ আমদানি নিরুৎসাহিত করতে নতুন বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে! ◈ দে‌শের বিপর্যস্ত জনগণ ফে‌লে রাজনী‌তি থে‌কে বিশ্রা‌মে যা‌বো না: 'এই সময়' অনলাইনে শেখ হা‌সিনার সাক্ষাৎকার ◈ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: আস্থার সংকট কতটা গভীর?

প্রকাশিত : ২৯ মার্চ, ২০২৬, ০৭:১৬ বিকাল
আপডেট : ০৯ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবননগরে কৃষি অফিসের উদ্যোগে শীতকালীন পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন, লাভের আশায় কৃষকরা

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) : জীবননগর উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে শীতকালীন পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনে উৎসাহ দিতে উপজেলার ২০ জন কৃষকের মাঝে প্রদর্শনী কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক কৃষককে ১৬০ কেজি করে পেঁয়াজের কন্দ (বাল্ব) সরবরাহ করা হয়েছে, যা ২০ শতক জমিতে চাষের জন্য দেওয়া হয়।

উপজেলার সুবলপুর গ্রামের কৃষক মোঃ হুমায়ুন কবির জানান, “প্রথমে আমরা কৃষি অফিস থেকে দেওয়া কন্দ নিতে আগ্রহী ছিলাম না। পরে তাদের অনুরোধে চাষ শুরু করি। এখন দেখা যাচ্ছে, ২০ শতক জমিতে প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে এবং প্রায় ৮০ কেজি পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের আশা করছি।”

তিনি আরও বলেন, “বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির পেঁয়াজ বীজ ১২ থেকে ১৬ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। আমাদের উৎপাদিত বীজ যদি ২ হাজার টাকা কেজিতেও বিক্রি হয়, তাহলে ২০ শতক জমি থেকে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার বেশি আয় করা সম্ভব। এতে আমরা বেশ লাভবান হব।”

এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, “বাজারে বেসরকারি কোম্পানির বীজের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ কারণে সরকারিভাবে আমরা ২০ জন কৃষকের মাঝে কন্দ,রাসায়নিক সার,বালাইনাশক ও বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ করেছি, যাতে তারা নিজেরাই বীজ উৎপাদন করতে পারেন।”

তিনি আরও জানান, “প্রথমদিকে কৃষকরা কিছুটা অনাগ্রহী থাকলেও এখন বীজ উৎপাদনের ফলাফল ভালো হওয়ায় তারা আশাবাদী। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কৃষকদের যেন বাইরে থেকে উচ্চমূল্যে বীজ কিনতে না হয়। এজন্য  বীজ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে।”

কৃষি অফিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে এবং ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়