শিরোনাম
◈ ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, ব্যাংকটি বিএনপি সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী ◈ কী থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন চার বিষয়ের মধ্যে? ◈ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান, নাহিদ-মোসাদ্দেকের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় ◈ এবার বাতিল হ‌লো ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা ‌বিশ্বকা‌পের টিকিটও ◈ ইউপি নির্বাচনকে ‘টেস্ট কেস’ ভাবছে সরকার, আ.লীগ নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন আলোচনা ◈ ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার ◈ আগামী বাজেটে স্টার্ট-আপ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ◈ যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হলো বিশ্বকা‌পের ফিফা রেফারি ওমর আরতান‌কে ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে বিশ্বকাপ চলাকালীন খলনায়ক হয়ে আস‌তে পারে বজ্রঝড় ◈ রাশিয়ার শ্রমবাজারে বড় সুযোগ: ১ লাখ বাংলাদেশি নেওয়ার প্রস্তাবে সম্মতি মস্কোর

প্রকাশিত : ২২ মার্চ, ২০২৬, ০৮:৪১ রাত
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কিশোরগঞ্জে দাঁড়িয়াবান্ধা খেলা দেখতে হাজারো মানুষের উপচেপড়া ভিড়

ফারুকুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জে আশির দশকের গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী জমজমাট দাঁড়িয়াবান্ধা খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিলুপ্তপ্রায় এ খেলা দেখতে সমবেত হয় বিভিন্ন বয়সি হাজারও মানুষ।

রবিবার (২২ মার্চ) বিকেলে করিমগঞ্জ উপজেলার কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নের খিরারচর বাজার সংলগ্ন মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

কাদিরজঙ্গল  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরিফ উদ্দিন আহমেদ কনকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ভিপি সুমন। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি সোহাগ মিয়া।

বড়চর যুব জাগরণ স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে এই খেলায় বড়চর ও খিরারচর গ্রামের খেলোয়াড়েরা দুভাগে বিভক্ত হয়ে হলুদ দল ও  লাল দল নামে অংশগ্রহণ করে। এতে হলুদ দল ৯-৬ পয়েন্টের ব্যবধানে বিজয়ী হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে নানা শ্রেণি-পেশার অসংখ্য মানুষ ঐতিহ্যবাহী এ খেলা উপভোগ করে। খেলা শুরু হলে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠে উপস্থিত হাজারও দর্শক।

আয়োজক কমিটির সদস্য শিহাব উদ্দিন জানান, দাঁড়িয়াবান্ধা খেলাটি গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা। তবে এখন বিলুপ্তপ্রায়। এখনকার তরুণ প্রজন্মের কাছে এ খেলাকে পরিচিত করতে এবং ঈদ পরবর্তী আনন্দ উপভোগ করতে একসময়ের অতি পরিচিত গাঁও-গেরামের ঐতিহ্যবাহী দাঁড়িয়াবান্ধা খেলার আয়োজন করা হয়।

অন্য গ্রাম থেকে খেলা দেখতে আসা মনিরুজ্জামান ও রইছ উদ্দিন বলেন, একসময় গ্রামাঞ্চলের পথে-ঘাটে, মাঠে বা রাস্তার পাশে সব বয়সি মানুষ এই খেলায় মেতেছে। হৈ চৈ আর আনন্দ উৎসবে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত চলত এই খেলা।

দর্শনার্থী ওমর মাহমুদ ফারুক বলেন, এখন আর দেখা যায় না গাঁও-গেরামের ঐতিহ্যবাহী দাঁড়িয়াবান্ধা খেলা। কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে এই খেলাটি। আর তাই বর্তমান প্রজন্মের কাছে গ্রামাঞ্চলের পুরোনো সংস্কৃতি তুলে ধরে ফ্রি ফায়ার ও পাবজীর মতো ভয়ংকর সংস্কৃতির প্রভাব থেকে মুক্ত করতে ঐতিহ্যবাহী এই খেলার আয়োজন করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আজিজুল ইসলাম বলেন, হারিয়ে যাওয়া খেলাকে আমরা বাঁচিয়ে রাখতে চাই। আর এই খেলার মধ্যে রয়েছে নির্মল আনন্দ। এখন অপসংস্কৃতি গ্রাস করছে যুবসমাজকে। তাদের প্রকৃত সংস্কৃতিতে ফিরিয়ে আনতেই এই গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলার আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি সাইফুল ইসলাম ভিপি সুমন আলোচনায় বলেন, এসব খেলা আজ কালের গর্ভে হারিয়ে যেতে বসেছে। আর তাই বর্তমান প্রজন্মের কাছে গ্রামাঞ্চলের পুরোনো খেলাধুলা তুলে ধরে ফ্রি ফায়ার ও পাবজীর মতো ভয়ংকর সংস্কৃতির প্রভাব থেকে মুক্ত করতে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার খেলার বিকল্প নেই। সে ক্ষেত্রে আমাদের সবার এগিয়ে আসতে হবে। প্রতি বছর এ ধরনের খেলার আয়োজন করা উচিত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়