শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ‌বো‌লিং‌য়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পাফর‌মে‌ন্সে আইসি‌সি র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ নাহিদ রানার ◈ শিগগিরই সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ শিল্পখাতের ধীরগতি সত্ত্বেও ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে বাংলাদেশ ◈ প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, ৮৭ দিনে প্রাণহানি ৬৩৯ ◈ ব্যাংকিংয়ে কড়াকড়ি, ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে নতুন চ্যালেঞ্জ ◈ বিশ্বকাপের ক‌য়েক ঘণ্টা আগেই ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে ফ্রা‌ন্সের আদাল‌তে মামলা করলেন মি‌শেল প্লাতিনি ◈ শুধু মাতৃভূমি নয়, বিশ্বশান্তির জন্যও কাজ করছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৩৩ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সেন্টমার্টিনে কেয়াগাছ কেটে রিসোর্ট নির্মাণের দায়ে মামলা

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : কক্সবাজারের টেকনাফ সেন্টমার্টিন দ্বীপে কেয়াগাছ কেটে রিসোর্ট নির্মাণের অভিযোগে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। 

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) টেকনাফ থানায় মামলাটি করেন পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. মুসাইব ইবনে রহমান।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “পরিবেশ অধিদপ্তর বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

মামলার আসামিরা হলেন, সেন্টমার্টিন দক্ষিণ পাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে কেফায়েত আল্লাহ এবং রিসোর্টের মালিক নুর মোহাম্মদ খান।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সেন্টমার্টিনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণপাড়া এলাকায় রিসোর্ট নির্মাণের জন্য বেশ কিছু কেয়া গাছ কাটা হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি দল সরেজমিনে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পায়।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিচালক মো. জমির উদ্দিন বলেন, সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন এলাকায় রিসোর্ট নির্মাণের উদ্দেশ্যে গাছ কাটার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। তদন্তে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেন্টমার্টিনের স্থানীয় বাসিন্দা তৈয়ব উল্লাহ বলেন, “দ্বীপের দক্ষিণপাড়ায় চারদিকে ঘন কেয়াবন ছিল। সেগুলো এখন উজাড় হয়ে গেছে। সারি সারি কেয়া গাছ কেটে ফেলা হয়েছে, যা দ্বীপের পরিবেশ ও সৌন্দর্যের জন্য বড় ক্ষতি। কেয়াবন দ্বীপের রক্ষাকবচ। এগুলো না থাকলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে।”

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, “কেয়াগাছ কাটার দায়ে দুজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে জেনেছি। ওই এলাকায় গিয়ে দেখি দুয়েকটা গাছ কেটেছে। আমাদের সবার সচেতন হওয়া প্রয়োজন। কেয়াবন নামের এই রক্ষাকবচ যদি ধ্বংস হয়, তাহলে দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কেয়াবন অক্ষুণ্ন রাখাই আমাদের দায়িত্ব।”

১৯৯৯ সালে সেন্টমার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে পরিবেশ অধিদপ্তর। এ আইনে দ্বীপে এমন কোনো কার্যক্রম নিষিদ্ধ, যা পরিবেশের ক্ষতি করতে পারে। ২০২২ সালের সরকারি প্রজ্ঞাপনে দ্বীপটিকে সামুদ্রিক সুরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয় এবং দ্বীপে ইট-সিমেন্ট নেওয়াও নিষিদ্ধ করা হয়। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়