শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ‌বো‌লিং‌য়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পাফর‌মে‌ন্সে আইসি‌সি র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ নাহিদ রানার ◈ শিগগিরই সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ শিল্পখাতের ধীরগতি সত্ত্বেও ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে বাংলাদেশ ◈ প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, ৮৭ দিনে প্রাণহানি ৬৩৯ ◈ ব্যাংকিংয়ে কড়াকড়ি, ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে নতুন চ্যালেঞ্জ ◈ বিশ্বকাপের ক‌য়েক ঘণ্টা আগেই ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে ফ্রা‌ন্সের আদাল‌তে মামলা করলেন মি‌শেল প্লাতিনি ◈ শুধু মাতৃভূমি নয়, বিশ্বশান্তির জন্যও কাজ করছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ০৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:২০ রাত
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কর্মবিরতি শেষে ফেরা শিক্ষকদের স্কুলে ঢুকতে না দিয়ে নিজেরাই পরীক্ষা নিলেন অভিভাবকরা

কর্মবিরতি শেষে বিদ্যালয়ে ঢুকতে চেয়েছিলেন প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা। তবে অভিভাবকেরা তাদের ঢুকতে দেননি। সন্তানদের পরীক্ষা নিয়েছেন নিজেরাই।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে রাজশাহী মহানগরীর বহরমপুর ডিবি আনোয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, পরে শিক্ষা কর্মকর্তা এলে তার মধ্যস্থতায় শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন। এর আগেই পরীক্ষা শেষ হয়ে যায়। এ সময় উত্তেজিত অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ের দুটি ভবনে তালা ঝুলিয়ে পরীক্ষার দায়িত্ব নিজেরাই হাতে নেন। সকাল থেকে তারা পরীক্ষাও নেন।

অভিভাবকদের অভিযোগ, গত এক সপ্তাহ ধরে বার্ষিক পরীক্ষা চললেও সহকারী শিক্ষকরা আসেননি। তিনটি বিষয়ে তারাই পরীক্ষা নিয়েছেন। শিক্ষকদের মনোযোগহীনতা এবং দফায় দফায় আন্দোলন শিক্ষার্থীদের শেখার মান কমিয়ে দিয়েছে। তাই কর্মবিরতি শেষে শিক্ষকরা এলে তারা তাদের প্রবেশ করতে দেননি।

জেসমিন আরা নামে এক অভিভাবক বলেন, সারা বছর ঠিকভাবে পড়ানো হয়নি, পরীক্ষা শুরুর পর আবার কর্মবিরতি। আমরা সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আছি, তাই নিজেরাই পরীক্ষা নিয়েছি।

স্বপ্না বেগম নামে আরেক অভিভাবক বলেন, শিক্ষকরা হঠাৎ হাজির হয়ে পরীক্ষা নিতে চাইলে আমরা স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ হই। সবকিছু এলোমেলো করে দিয়েছেন তারাই।

বিদ্যালয় চত্বরে তালা দেওয়ার সময় বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন সহকারী শিক্ষকরা। ঘটনাটি জানানো হলে একজন শিক্ষা কর্মকর্তা এসে শিক্ষক-অভিভাবকদের নিয়ে আলোচনায় বসেন। আলোচনা চলাকালীন দ্বিতীয় শ্রেণির দুই শিক্ষার্থীকে অভিভাবকের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা দিতে দেখা যায়।

সহকারী শিক্ষকরা দাবি করেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা কর্মবিরতি পালন করেছেন। কর্মসূচি প্রত্যাহারের পর পরীক্ষায় অংশ নিতে এলেও অভিভাবকরা তাদের দায়িত্ব নিতে দেননি।

সহকারী শিক্ষক আসিফ সিদ্দিকী বলেন, আমরা কর্মসূচির কারণে দায়িত্ব পালন করতে পারিনি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় পরীক্ষা নিতে এসেছি, কিন্তু আমাদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগম বলেন, অভিভাবক ও শিক্ষক উভয়পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল। শিক্ষা অফিস থেকে একজন কর্মকর্তা আসার পর আমরা চেষ্টা করেছি আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক। শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেছেন।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়