শিরোনাম
◈ ময়মনসিংহে ট্রেন লাইনচ্যুত, ঢাকা-জামালপুর রুটে চলাচল বন্ধ ◈ বিশ্বকা‌পের শেষ প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে আইসল‌্যান্ড‌কে ৩-০ গো‌লে হারা‌লো আ‌র্জেন্টিনা, মাঠে ফি‌রেই মেসির গোল ◈ বাজুসের নতুন ঘোষণা, দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম ◈ 'এই সময়' কে দেয়া সাক্ষা‌তকা‌রের দ্বিতীয় পর্ব-- টুঙ্গিপাড়ায় চলে যাবো বলে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, আমি জানতামই না, দেশের বাইরে যাচ্ছি: শেখ হা‌সিনা ◈ লাল টেলিফোনের পর এবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ল্যাপটপ চুরি, নিরাপত্তা সংকটে গুরুত্বপূর্ণ ভবন ◈ ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের দুই স্টেডিয়ামের পিচ নিয়ে অসন্তুোষ আইসিসির ◈ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে রেফারি সব ব্রাজিলের  ◈ পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য : বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা ◈ গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা ◈ রামিসার বাসার পাশ থেকে ৫ বছরের শিশু নিখোঁজ, ৪ দিনেও মেলেনি খোঁজ

প্রকাশিত : ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:১২ দুপুর
আপডেট : ০১ এপ্রিল, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জৌলুস হারিয়েছে শীতল পাটি, বাধ্য হয়ে পেশা বদলাচ্ছেন শতাধিক কারিগর

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ধুলিজোড়া গ্রামের কারুশিল্পীদের বানানো শীতল পাটির এক সময় বেশ কদর ছিল। স্বল্পমূল্যের প্লাস্টিকের মাদুরের দাপটে অতীত জৌলুস হারিয়েছে শীতল পাটি। এতে আয় কমে যাওয়ায় ধুলিজোড়া গ্রামের শতাধিক কারুশিল্পী জীবিকা নির্বাহে পেশা বদলে বাধ্য হয়েছেন। 

রাজনগর-বালাগঞ্জ খেয়াঘাট সড়কের পাশের একটি নিভৃত গ্রামের নাম ধুলিজোড়া। যে গ্রামের মানুষ বিভিন্ন ধরনের শীতল পাটি বানিয়ে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। 

বুধবার ধুলিজোড়া গ্রামের অরুণ চন্দ্র দাসের বাড়িতে গেলে দেখা যায়, বাড়ির উঠানে কারুকার্যখচিত শীতল পাটি বানিয়ে রোদে শুকাতে দিচ্ছেন; দুখানা পাটির একখানা ভাঁজ করে বারান্দায় রেখেছেন। আরও দুটি মাদুর বানিয়ে রেখেছেন। আলাপকালে তিনি জানান,  ৪-৫ হাত বিশিষ্ট কারুকাজ করা একটা শীতল পাটি বানাতে ৩০-৩৫ দিন সময় লাগে। এর সঙ্গে হাজার থেকে বারশ টাকার বেত ও রং লাগে। পালঙ্কের জন্য একটি ‘নঙা’ করা পাটি ২৮-৩০ হাজার টাকা দাম পড়ে। এসব শীতল পাটি শৌখিন ধনাঢ্য ব্যক্তিরা ব্যবহার করেন। এ ছাড়া একটি সাধারণ মানের পাটি ৫-৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়ে থাকে। তিনি জানান, আগেকার দিনে বিয়ে-শাদিসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং গরমের দিন এলেই শীতল পাটি কেনা হতো। এখন এ স্থান দখল করেছে চায়না প্রযুক্তির প্লাস্টিকের মাদুর। 

অরুণ চন্দ্র দাস আরও জানান, সরকারি সহযোগিতায় শীতল পাটির কারিগর হিসেবে তিনি ২০১৩ সালে জাপানে ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প মেলায় এবং ২০২৩ সালে চীন গিয়েছিলেন। সেখানে ধুলিজোড়ায় বানানো শীতল পাটি প্রদর্শন ও বিক্রি হয়েছে। ‘নঙা’ আঁকা শীতল পাটি চীন ও জাপানে বেশ সমাদৃত হয়েছে। এসব প্রদর্শনীতে তাঁর সঙ্গে গ্রামের হরেন্দ্র দাস ও গীতেশ দাস অংশ নেন। 

গ্রামের প্রমেশ দাস, দ্বিজেন্দ্র দাস, শৈতেন্দ্র দাস, গোপাল দাস, সুশীল দাস, গোবিন্দ দাসসহ আরও কয়েকজন শীতল পাটির কারিগর জানান, প্লাস্টিকের কম দামি মাদুরের কারণে শীতল পাটি আগের মতো বিক্রি হয় না। এতে তাদের আয় কমে যাওয়ায় অনেকে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে বাপ-দাদার পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন। 

সূত্র: সমকাল 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়