শিরোনাম
◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ‌বো‌লিং‌য়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পাফর‌মে‌ন্সে আইসি‌সি র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ নাহিদ রানার ◈ শিগগিরই সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ শিল্পখাতের ধীরগতি সত্ত্বেও ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে বাংলাদেশ ◈ প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, ৮৭ দিনে প্রাণহানি ৬৩৯

প্রকাশিত : ২০ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:৪৫ দুপুর
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর গোপন ভিডিও যেভাবে ভাইরাল হয়

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর গোপন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, এক স্কুলছাত্রী অনলাইনে ভিডিও কলে শিক্ষককে চুমু দিতে বলেন এবং শিক্ষকও সেই অনুরোধে সাড়া দেন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক।

ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ছাত্রী ও শিক্ষক উভয়েই গণমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেন। ছাত্রী অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন সম্পর্ক থাকার পর শিক্ষক তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষোভ থেকেই ভিডিওটি ভাইরাল করেছেন তিনি। তার ভাষ্য, আমি ভিডিওটা নিজের ইচ্ছায় করেছি, ভাইরালও করেছি। সে বয়স্ক, তার পরিবার আছে—এ অবস্থায় আমাকে কেন প্রতারণা করল? বিয়ে না করায় আমি রাগে এটা করেছি।

অন্যদিকে শিক্ষক দাবি করেন, ছাত্রী তার সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করে নানা সময় ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ছাত্রী হঠাৎ ফোন দিয়ে জানায় তার পেটে তিন মাসের সন্তান রয়েছে এবং তাকে বিয়ে করতে হবে। শিক্ষক রাজি না হলে ছাত্রী নাকি ৪০ লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। তার পেটে সন্তান থাকার প্রশ্নই আসে না। আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভিডিও ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

এছাড়া শিক্ষক আরও দাবি করেন, ছাত্রী অতীতে হাত কেটে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন এবং ঘুমের ওষুধ খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে তাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। এসব কারণে তিনি মানসিক চাপে ছিলেন বলে জানান।

ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যেও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। ছাত্রীকে নিয়ে হতবাক তার বাবা বলেন, তিনি এ বিষয়ে তেমন কিছুই জানতেন না। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, ৪০ লাখ টাকা আদায় করতে না পেরে ছাত্রীই ভিডিও ছড়িয়েছেন।

এদিকে উপজেলা প্রশাসন জানায়, এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত শুরু হবে।

এরই মধ্যে সুযোগে স্থানীয় কিছু দালাল চক্র শিক্ষক ও ছাত্রী উভয়কে ফোনে হুমকি দিয়ে অর্থ দাবি করছে বলেও জানা গেছে। শিক্ষক জানান, বিভিন্ন নম্বর থেকে তাকে প্রতিনিয়ত হুমকি ও চাঁদা দাবি করা হচ্ছে।

ঘটনার জেরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্থানীয়দের দাবি, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়