শিরোনাম
◈ প্রতি তিনজন স্নাতকের একজন বেকার: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শ্রমবাজার ◈ মাথাপিছু বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা বাড়লেও বাড়ছে ঋণের দায় ◈ সস্তায় পেয়ে ৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, পরে জানলেন বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই ◈ বিসিবির প‌রিচালকরা কে কোন ক‌মি‌টির দায়িত্ব পে‌লেন ◈ নির্বাচনের আগে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংক ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুশইন ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে দেড়গুণ বাড়ানো হলো বিজিবি মোতায়েন ◈ ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, ব্যাংকটি বিএনপি সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী ◈ কী থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন চার বিষয়ের মধ্যে? ◈ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান, নাহিদ-মোসাদ্দেকের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় ◈ এবার বাতিল হ‌লো ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা ‌বিশ্বকা‌পের টিকিটও

প্রকাশিত : ১৯ নভেম্বর, ২০২৫, ০৭:৪৮ বিকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কাঁঠালপাতা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন শিক্ষক

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় মহাসড়কের পাশের দোকানে কাঁঠালপাতা বিক্রি করছেন দুর্গাপুর উচ্চবিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক আবদুল হামিদ (৫৮)। ব্যস্ত মহাসড়কের পাশে কাঁঠাল পাতার স্তূপ। পাতা কিনতে দোকানের সামনে ক্রেতাদের ভিড়। ‘‘হামাক এক বোঝা পাতা দেও, মাস্টার।’’ ক্রেতার চাহিদা শুনতেই স্তূপ থেকে টেনে পাতা বের করে দিলেন আবদুল হামিদ। পাতা বুঝে পেয়ে বিক্রেতাকে সালাম দিয়ে চলে গেলেন ওই ক্রেতা।

প্রায় দুই যুগ ধরে বিরামপুর উপজেলার দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে কলাবাগান এলাকায় কাঁঠালপাতা বিক্রি করছেন এই শিক্ষক। আবদুল হামিদ জানান, দিন শেষে এ থেকে যা আয় হয়, তা দিয়ে চলে তার সংসার। দীর্ঘদিন ধরে কোনো বেতন পান না তিনি।

আবদুল হামিদের বাড়ি দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে। তিনি ২০০২ সালের ১ জুন উপজেলার দুর্গাপুর উচ্চবিদ্যালয়ে কৃষি বিষয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। যোগদানের পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ৯ বার এমপিওর (মান্থলি পে-অর্ডার) জন্য আবেদন করেছেন।

তবে প্রতিবারই তার আবেদন বাতিল হয়েছে। দীর্ঘ দুই যুগের বেশি সময় ধরে তিনি ওই বিদ্যালয়ে বেতন ছাড়াই পাঠদান করে যাচ্ছেন। সংসার চালাতে বিকল্প পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন কাঁঠালপাতার ব্যবসা। এ থেকে তার প্রতিদিন ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয়।

দুর্গাপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ওই বিদ্যালয়ে চাকরি করছেন আবদুল হামিদ। সরকারি কোষাগার থেকে বেতন না পেলেও বিদ্যালয়, শ্রেণিকক্ষ আর কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মায়ায় বাঁধা পড়েছেন। এ জন্য এখনো বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান করেন বলে জানান তিনি।

সূত্র: দৈনিক আমাদের সময়

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়