শিরোনাম
◈ মাথাপিছু বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা বাড়লেও বাড়ছে ঋণের দায় ◈ সস্তায় পেয়ে ৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, পরে জানলেন বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই ◈ বিসিবির প‌রিচালকরা কে কোন ক‌মি‌টির দায়িত্ব পে‌লেন ◈ নির্বাচনের আগে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংক ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুশইন ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে দেড়গুণ বাড়ানো হলো বিজিবি মোতায়েন ◈ ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, ব্যাংকটি বিএনপি সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী ◈ কী থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন চার বিষয়ের মধ্যে? ◈ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান, নাহিদ-মোসাদ্দেকের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় ◈ এবার বাতিল হ‌লো ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা ‌বিশ্বকা‌পের টিকিটও ◈ ইউপি নির্বাচনকে ‘টেস্ট কেস’ ভাবছে সরকার, আ.লীগ নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন আলোচনা

প্রকাশিত : ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ০৫:২৭ বিকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিচারকের স্ত্রীকে সিলেট গিয়েও উত্ত্যক্ত করেন লিমন, করা হয় জিডিও

রাজশাহী মহানগর ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান সুমন হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার লিমন মিয়া বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসীর পিছু নিয়ে সিলেট গিয়েছিলেন। সেখানে তাকে উত্ত্যক্ত করায় তার বিরুদ্ধে সিলেটের জালালাবাদ থানায় জিডিও করেছিলেন ভুক্তভোগী। লিমন সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। সেখানে চার বছর চাকরির পর চাকিরিচ্যুত করা হয়েছিল।

লিমন গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের মদনের পাড়া গ্রামের বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য এইচএম ছোলায়মান হোসেন শহীদের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ নভেম্বর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছিলেন। তার কল পেয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লিমনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাকে জালালাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

কিন্তু বিচারকের স্ত্রী লুসী এ বিষয়ে মামলা করতে রাজি না হওয়ায় তখন সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডিমূলে লিমনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মুবাশ্বির। তিনি বলেন, ‘জজ স্যারের মেয়ে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।

মেয়েকে দেখতে মূলত বিচারকের স্ত্রী সিলেট এসেছিলেন। তখন লিমন তার পিছু নিয়ে সিলেট ছুটে আসে এবং তাদেরকে ডিস্টার্ব করে। এক পর্যায়ে তারা ট্রিপল নাইনে কল দিয়ে পুলিশের সহযোগিতা নিতে বাধ্য হন। তবে কী কারণে জজ স্যারের স্ত্রীর সঙ্গে তার ঝামেলা ছিল তা পরিস্কার নয়।’

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী নগরের ডাবতলা এলাকার ভাড়া বাসায় খুন হন রাজশাহী মহানগর ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান সুমন।

হামলার সময় তাওসিফের মা তাসমিন নাহার লুসীও আহত হন। বর্তমানে রামেক হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন।

পরিবার সূত্রে জানায়, পরিবারের লোকজনকে ১০ দিন আগে হত্যার হুমকি দিয়েছিল লিমন মিয়া নামের ওই ব্যক্তি। গত ৬ নভেম্বর সিলেটের জালালাবাদ থানায় লিমন মিয়ার বিরুদ্ধে জিডি করেছিলেন বিচারকের স্ত্রী লুসী। জিডি করার সাত দিনের মাথায় বিচারকের বাসায় ঢুকে ছেলেকে হত্যা ও লুসিকে জখম করে। উৎস: কালের কণ্ঠ।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়