শিরোনাম
◈ বিসিবির প‌রিচালকরা কে কোন ক‌মি‌টির দায়িত্ব পে‌লেন ◈ নির্বাচনের আগে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংক ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুশইন ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে দেড়গুণ বাড়ানো হলো বিজিবি মোতায়েন ◈ ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, ব্যাংকটি বিএনপি সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী ◈ কী থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন চার বিষয়ের মধ্যে? ◈ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান, নাহিদ-মোসাদ্দেকের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় ◈ এবার বাতিল হ‌লো ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা ‌বিশ্বকা‌পের টিকিটও ◈ ইউপি নির্বাচনকে ‘টেস্ট কেস’ ভাবছে সরকার, আ.লীগ নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন আলোচনা ◈ ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার ◈ আগামী বাজেটে স্টার্ট-আপ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

প্রকাশিত : ১১ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:৪৪ সকাল
আপডেট : ২৭ মে, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এক যুগ পর শ্রীপুর সাফারি পার্কে সফল প্রজনন করল গ্রে ক্রাউনক্যান

গাজীপুরের শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে এক যুগ পর উগান্ডার জাতীয় পাখি গ্রে ক্রাউনক্যান সফলভাবে বাচ্চা ফুটিয়েছে। বাংলাদেশের মাটিতে এ পাখির এটি প্রথম সফল প্রজনন, যা পার্ক কর্তৃপক্ষের কাছে বিশেষ আনন্দের বিষয়।

পার্কের ক্রাউন ধনেশ অ্যাভিয়ারিতে জন্ম নিয়েছে বাচ্চাটি। বেশ কিছু দিন আগে ডিম থেকে ফুটলেও মা–বাবা পাখি নিরাপত্তার জন্য ছানাকে ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে রেখেছিল। এখন মা, বাবা ও ছানাকে একত্রে বিচরণ করতে দেখা যাচ্ছে।

সাফারি পার্কের ওয়াইল্ডলাইফ সুপারভাইজার সরোয়ার হোসেন খান জানান, ২০১৩ সালে আফ্রিকার উগান্ডা থেকে আনা হয় গ্রে ক্রাউনক্যানের এই জুটি। এর আগেও কয়েক দফা ডিম পাড়লেও বাচ্চা টিকেনি। এবারই প্রথম সফলভাবে ছানা ফুটেছে। তিনি বলেন, ‘এটি পার্কের জন্য আনন্দের খবর। মা–বাবা ও ছানাটিকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে।’

গ্রে ক্রাউনক্যান পাখি বুদ্ধিমান ও সুর নকল করতে সক্ষম হওয়ায় পৃথিবীজুড়ে তাদের আলাদা পরিচিতি রয়েছে। এরা আজীবন এক সঙ্গীর সাথেই থাকে এবং সাধারণত ২-৫টি ডিম পাড়ে। ২৮ থেকে ৩১ দিনের মধ্যে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটে।

সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমান বলেন, ‘এটি পার্কের জন্য বড় অর্জন। আমরা ছানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি। আশা করছি বাচ্চাটি ভালোভাবে বেড়ে উঠবে।’

পার্কে কর্মরতরা জানান, দুপুরের দিকে মা–বাবা পাখির মাঝে ছানাটিকে হাঁটতে দেখা যায়, যা দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে। বর্তমানে নির্দিষ্ট স্থানের চারপাশে বেড়া দিয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে, যাতে রাজকীয় এই পাখির পরিবার নিরাপদ থাকে।

সূত্র: যুগান্তর 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়