শিরোনাম
◈ ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার ◈ আগামী বাজেটে স্টার্ট-আপ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ◈ যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হলো বিশ্বকা‌পের ফিফা রেফারি ওমর আরতান‌কে ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে বিশ্বকাপ চলাকালীন খলনায়ক হয়ে আস‌তে পারে বজ্রঝড় ◈ রাশিয়ার শ্রমবাজারে বড় সুযোগ: ১ লাখ বাংলাদেশি নেওয়ার প্রস্তাবে সম্মতি মস্কোর ◈ কুমিল্লার নিমসার বাজার এলকায় অটোরিকশা শ্রমিকদের তাণ্ডব, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর (ভিডিও) ◈ ‘শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা’ (ভিডিও) ◈ যে কারণে ইসরায়েলে হামলার সময় ইরানের কোনও ক্ষেপণাস্ত্রই ঠেকায়নি যুক্তরাষ্ট্র! ◈ ব্যাংক অনুদানের অডিট ২০১৫-২৪: প্রধানমন্ত্রীর তহবিল ও হাসিনা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গেছে ১২৪৩ কোটি ◈ আমদানি নিরুৎসাহিত করতে নতুন বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে!

প্রকাশিত : ০২ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:১২ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উৎপাদন বন্ধ ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায়, গঠন তদন্ত কমিটি

মাহবুব সৈয়দ, পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি: দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানায় চার দিন ধরে সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত ৩০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) রাত ২টার দিকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় বলে জানা গেছে।

কারখানার একটি সূত্র জানায়, উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে ধান ও শাকসবজির ভরা মৌসুমে এই পরিস্থিতি সার সরবরাহে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রতিষ্ঠিত এই কারখানাটি দেশের বৃহত্তম ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।

কারখানার জিএম (কারিগরি) সরফরাজ খান জানান, উৎপাদন বন্ধের কারণ অনুসন্ধানে তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে উৎপাদন বন্ধের কারণ ও করণীয় বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

জিএম (বাণিজ্য) আতিকুর রহমান খান বলেন, “যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়েছে। তবে কারখানায় বর্তমানে বস্তা ও খোলা অবস্থায় প্রায় ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুদ রয়েছে। গত অর্থবছরে ৮ লাখ মেট্রিক টন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও উৎপাদন হয়েছে ৮ লাখ ১৬ হাজার মেট্রিক টন।”

কারখানার জিএম (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম বলেন, “উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ করা হলেও দ্রুতই পুনরায় চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গুদামে পর্যাপ্ত সার মজুদ থাকায় তাত্ক্ষণিক কোনো সার সংকট হবে না।”

প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকায় নির্মিত এই সার কারখানাটি ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। এর বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ১০ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার। গত অর্থবছরে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে এই কারখানাটি, যা দেশের সার উৎপাদনে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়