শিরোনাম
◈ ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার ◈ আগামী বাজেটে স্টার্ট-আপ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ◈ যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হলো বিশ্বকা‌পের ফিফা রেফারি ওমর আরতান‌কে ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে বিশ্বকাপ চলাকালীন খলনায়ক হয়ে আস‌তে পারে বজ্রঝড় ◈ রাশিয়ার শ্রমবাজারে বড় সুযোগ: ১ লাখ বাংলাদেশি নেওয়ার প্রস্তাবে সম্মতি মস্কোর ◈ কুমিল্লার নিমসার বাজার এলকায় অটোরিকশা শ্রমিকদের তাণ্ডব, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর (ভিডিও) ◈ ‘শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা’ (ভিডিও) ◈ যে কারণে ইসরায়েলে হামলার সময় ইরানের কোনও ক্ষেপণাস্ত্রই ঠেকায়নি যুক্তরাষ্ট্র! ◈ ব্যাংক অনুদানের অডিট ২০১৫-২৪: প্রধানমন্ত্রীর তহবিল ও হাসিনা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গেছে ১২৪৩ কোটি ◈ আমদানি নিরুৎসাহিত করতে নতুন বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে!

প্রকাশিত : ০১ নভেম্বর, ২০২৫, ০৭:০৮ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ অপসারণ, অন্য জায়গায় আবার অনিয়ম শুরু 

চরভদ্রাসন ও সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীর চর গোপালপুর মৌজায় মুজিব কেল্লার বিপরীত পাশে অবৈধভাবে নির্মিত আড়াআড়ি বাঁধ অপসারণে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দুটি প্রভাবশালী মহলসহ কয়েকটি জেলে গোষ্ঠী মিলে নদীর প্রায় দুই কিলোমিটারজুড়ে সাত থেকে আটটি স্থানে এসব বাঁধ নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাছ শিকার করে আসছিল। এতে নদীর প্রাকৃতিক মাছের প্রজনন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি লক্ষ লক্ষ টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জায়েদ হোসাইন। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লব, চরভদ্রাসন থানার এসআই রতন কুমার মণ্ডল, মোবাইল কোর্ট পেশকার রাসেল মুন্সিসহ পুলিশ ও প্রশাসনের অন্যান্য সদস্যরা।

অভিযানকালে প্রশাসন আড়াআড়ি বাঁধ ছাড়াও নদীতে স্থাপিত একটি বড় মাছের ঘের ও ১০টি চায়না দোয়ারী ধ্বংস করে। পরে জব্দ করা জালগুলো নদীর তীরে এনে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জায়েদ হোসাইন বলেন, মৎস্য প্রজাতি রক্ষায় পদ্মা নদীতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। যেসব স্থানে অবৈধ বাঁধ ও মাছের ঘের রয়েছে, সেগুলোও পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে।

অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলে বলেন, এই ধরনের অভিযান যদি নিয়মিত হতো, দেশি মাছ আরও বেশি ধরা যেত। এক জায়গায় অভিযান হলেও, অন্য জায়গায় আবার অনিয়ম শুরু হয়। ২২ দিনের ইলিশ নিষেধাজ্ঞার সময়েও এসব কার্যক্রম মৎস্য কর্মকর্তাদের চোখ এড়িয়ে যায়। কালো টাকার বিনিময়ে প্রায় এক মাস ধরে এই অবৈধ কাজ চলছে। সব আইন যেন শুধু গরিবের জন্যই।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়