শিরোনাম
◈ ‌ফিফার ঘোষণা, বিশ্বকাপে চোটের অভিনয় করলেই শাস্তি ◈ কর্ণফুলী টানেল: দৈনিক আয় ১১ লাখ কিন্তু ব্যয় সাড়ে ৩৭ লাখ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যানবাহন চলাচল ৭ গুণ কম ◈ লেবানন ইস্যুতে নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, ‘হাতাহাতি’র উপক্রম হয়েছিল বলে দাবি মার্কিন দূতের ◈ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ◈ ঢামেক মর্গের ফ্রিজার এক সপ্তাহ ধরে অচল, ছড়াচ্ছে লাশ পচা গন্ধ ◈ বাংলাদেশিদের জন্য আবার খুলছে মরিশাসের শ্রমবাজার ◈ এনসিটি পরিচালনায় প্রস্তাব দিল দুই এমপির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কনসোর্টিয়াম ◈ জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাত ◈ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, সুবিধা পাবেন উদ্যোক্তারা ◈ প্রতিযোগিতায় টিকতে টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ২৪ অক্টোবর, ২০২৫, ০৬:৫৭ বিকাল
আপডেট : ২৮ মে, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের অভিযান

চরভদ্রাসন ও সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চলাকালে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ নিধনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ।

গত দুই দিনের অভিযানে ৬৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল (জাটকা ধরার জাল) এবং ২৭ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা জালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৮ লাখ টাকা।

২৪ অক্টোবর পদ্মা নদীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে নেতৃত্ব দেন।

চরাঞ্চলে চলছে মা ইলিশের অবাধ বেচাকেনা

সরকার ঘোষিত ২২ দিনের মা ইলিশ সংরক্ষণ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও পদ্মা নদীর চরাঞ্চলে অবাধে চলছে জাটকা ও মা ইলিশের কেনাবেচা। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে চরের অস্থায়ী বাজার ও বিভিন্ন খেয়াঘাটে প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ মা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়নের হাজার বিঘা চর এলাকায় বাদশার খেয়াঘাটে সকাল ও সন্ধ্যায় প্রকাশ্যে ইলিশ কেনাবেচা হয়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, “আমরা প্রতিদিনই এলাকায় তদারকি করছি। জাল ও জেলে আটকও করেছি। তবে চর এলাকায় যেতে হলে পুলিশসহ অভিযান চালাতে হয়। আমরা পৌঁছানোর আগেই খবর পেয়ে জেলেরা পালিয়ে যায়। বাদশার খেয়াঘাটে প্রতিদিনই অন্তত দু’বার যাই।”

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের দুর্বল নজরদারির কারণে নিষেধাজ্ঞার সময়ও চরের অস্থায়ী বাজার ও খেয়াঘাটে অবাধে চলছে মা ইলিশের ক্রয়-বিক্রয় ও পাচার, যা সরকারের সংরক্ষণ কার্যক্রমকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, “ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরা অত্যন্ত দুঃখজনক ও গুরুতর অপরাধ। এতে ইলিশের উৎপাদন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়