শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে : সংসদে খাদ্যমন্ত্রী ◈ বজ্রপাত ও দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে সরকার : সংসদে ত্রাণমন্ত্রী ◈ আফগা‌নিস্তান নাজেহাল, একদিনেই দু’বার অলআউট করে ৩০০ রা‌নে টেস্ট জিতলো ভারত ◈ ‘অনেক হয়েছে, এবার শেষ করা যাক’: সরাসরি সম্প্রচারে মেজাজ হারালেন ট্রাম্প, সাক্ষাৎকার ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন ◈ বাজেট ২০২৬-২৭: উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলে টিআইএন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে প্রত্যাবাসনের দাবি, নতুন তথ্য দিলেন শুভেন্দু ◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২৫, ০৭:২৫ বিকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আলু চাষী কৃষকদের লোকসানে ভর্তুকী না দিলে আলু চাষে আগ্রহ হারাবে কৃষক : চন্দন কুমার সাহা

কাজী রাশেদ, চান্দিনা ( কুমিল্লা ) : সারা দেশে গত মৌসুমে আলুর ব্যাপক ফলন হওয়ায় সারা বাংলাদেশে হিমাগার গুলো পরিপূর্ণ হয়ে স্থানীয় কৃষকদের হাতে পর্যান্ত আলু মজুত ছিল। যার কারণে কোল্ড স্টোরেজ থেকে আলু নামতে বিলম্ব হয়। ফলে এখনো সারা দেশের ৩৫৩টি হিমাগারে দুই তৃতীয়াংশেরও বেশি আলু এখনো মজুত রয়েছে। ফলে এবার কেজি প্রতি ১২-১৩ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে আলু সংরক্ষনকারীদের।

এক তথ্যে জানা যায়, প্রতি কেজি আলু ক্রয় ও প্যাকেজিং, পরিবহন ও হিমাগার ভাড়া সহ ২৬-২৭ টাকা খরচ পরে। কিন্তু এবার হিমাগার থেকে নামিয়ে প্রতি কেজি আলু পাইকারি বিক্রয় হচ্ছে ১৩/১৪ টাকা দরে। এতে সংরক্ষনকারী কৃষক ও ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ এসোসিয়েশনের পরিচালক চন্দন কুমার সাহা বলেন, সারা বাংলাদেশে সচল ও চলমান ৩৫৩টি হিমাগার রয়েছে ।এবার আলু সংরক্ষন হয়েছে সর্বমোট ৩২ লক্ষ ১৭ হাজার মেট্রিক টন। আর ১৫ সেপ্টেম্ব ২০২৫ পর্যন্ত সারা দেশের হিমাগার থেকে সরবরাহ করা হয়েছে ৮ লক্ষ ৩৯ হাজার মেট্রিক টন।১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মজুত আছে ২৩ লক্ষ ৭৮ হাজার মেট্রিক টন। এবার আলুর ব্যাপক ফলন হওয়ায় সব গুলো হিমাগার পূর্ণ হয়ে কৃষকদের হাতে প্রচুর আলু ছিল। যার কারণে সংরক্ষিত আলু ব্যবসায়ী ও কৃষক ব্যাপক লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে।

তিনি আরো জানান,এবার কৃষকদের লোকসানের কথা চিন্তা করে সরকার হিমাগার থেকে ২২টাকা করে আলু ক্রয়ের ঘোষনা দিয়ে ছিল। এতে কৃষকদের মনে কিছুটা আশার আলো জেগে ছিল। কিন্তু এখনো বাস্তবায়ন না হওয়ায় হতাশায় ভুগছেন তারা। এভাবে লোকসান হলে আগামীতে আলু চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে কৃষকরা।

ফলে আলু সংকটে পড়বে গোটা দেশ। হুমকির মুখে পড়বে হিমাগার গুলো।পাশাপাশি রাজস্ব হারাবে সরকার।বেড়ে যাবে বেকারের সংখ্যা। দেশের আলুর চাহিদা মিটাতে হতে হবে আমদানী নির্ভর।

তাই তিনি মনে করেন সরকার এই আপদকলীন ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক ও ব্যবসায়ীদের পাশে থেকে ভর্তুতী দিয়ে আলু চাষে উৎসাহিত করা এবং আলু চাষ অব্যাহত রাখা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়