শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে : সংসদে খাদ্যমন্ত্রী ◈ বজ্রপাত ও দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে সরকার : সংসদে ত্রাণমন্ত্রী ◈ আফগা‌নিস্তান নাজেহাল, একদিনেই দু’বার অলআউট করে ৩০০ রা‌নে টেস্ট জিতলো ভারত ◈ ‘অনেক হয়েছে, এবার শেষ করা যাক’: সরাসরি সম্প্রচারে মেজাজ হারালেন ট্রাম্প, সাক্ষাৎকার ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন ◈ বাজেট ২০২৬-২৭: উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলে টিআইএন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে প্রত্যাবাসনের দাবি, নতুন তথ্য দিলেন শুভেন্দু ◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ০২ অক্টোবর, ২০২৫, ০৭:৪৫ বিকাল
আপডেট : ০৮ মে, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রংপুর মিঠাপুকুরে অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত ৬ জন

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় অ্যানথ্রাক্সে (তড়কা রোগ) আক্রান্ত সন্দেহে ছয়জনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে চারজনের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, সময়মতো চিকিৎসা না নিলে এ রোগে আক্রান্ত প্রতি ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ২০ জনের মৃত্যুঝুঁকি থাকে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ইমাদপুর ইউনিয়নের আমাইপুর সোনারপাড়া গ্রামে চারজনের শরীরে ঘা দেখা দিলে এলাকায় অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্তরা গত ২০ সেপ্টেম্বর রহমতপুর বাজার থেকে কেনা মাংস খেয়েছিলেন। পরে ফ্রিজে থাকা ওই মাংস উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের মাধ্যমে পরীক্ষায় জানা যায়, জবাই করা গরুটি অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত ছিল। এ খবর ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় ভীতি তৈরি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস খাওয়া কয়েকজনের নমুনা পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআরে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় দুজনের শরীরে অ্যানথ্রাক্সে উপসর্গ ধরা পড়ে।

জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক (রোগনিয়ন্ত্রণ) এম এ হালিম লাভলু বলেন, ‘অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত সন্দেহে ছয়জনের চিকিৎসা চলছে। তাঁদের মধ্যে চারজন ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠছেন। সময়মতো চিকিৎসা নিলে এ রোগে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আলতাব হোসেন বলেন, ‘রোগাক্রান্ত গরুর মাংস খাওয়া অনুচিত। এ রোগ মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত পশুর মৃতদেহ অন্তত ছয় হাত মাটির নিচে চাপা দিয়ে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বাড়াতে উঠান বৈঠক, মাংস বিক্রেতাদের সঙ্গে আলোচনা এবং নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে উঠান বৈঠক, মাংস বিক্রেতাদের সঙ্গে আলোচনাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সূত্র: আজকের পত্রিকা 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়