শিরোনাম
◈ পুশইন ঠেকাতে রাত জেগে সীমান্ত পাহারায় ৫ শতাধিক বাংলাদেশি ◈ ইরানের বিরুদ্ধে পালটা অভিযানে না যেতে নেতানিয়াহুকে অনুরোধ করবেন ট্রাম্প ◈ মালদ্বীপের সঙ্গে ড্র করে ফাইনালের স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের ◈ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ◈ এবার লেবাননে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর বার্তা ট্রাম্পের ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া নির্মাণে মেঘালয়ের আপত্তি, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ◈ পুরোপুরি সুস্থ নন ইলিয়াস কাঞ্চন: কথা বলছেন, তবে জড়তা কাটেনি, স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন তথ্য ◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৫ দুপুর
আপডেট : ১৭ মে, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কাপাসিয়ায় রাতের আঁধারে নির্মাণাধীন মাদ্রাসার খুঁটি তুলে ফেলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ 

এ এইচ সবুজ,গাজীপুর প্রতিনিধি :গাজীপুরের কাপাসিয়ায় পৈত্রিক ও ওয়াকফকৃত জমিতে নির্মাণাধীন আল-বারাকাত মসজিদ কমপ্লেক্স ও মাদ্রাসায় রাতের আঁধারে খুঁটি তুলে ফেলা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে৷ এ ঘটনায় থানায় মৌখিক অভিযোগ জানানো হয়েছে। 

গত শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার কাজাহাজী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কাজাহাজী গ্রামের ইসমাইল মোল্যার পৈত্রিক সম্পদ ও একজনের ওয়াকফকৃত মোট ১২ শতাংশ জমির উপর আল-বারাকাত মসজিদ কমপ্লেক্স করা হয়। যেখানে ইতিমধ্যে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে নিয়মিত নামাজ আদায় করা হয়। মসজিদের নির্মাণের সময়ে মাদ্রাসা করার পরিকল্পনা ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। 

এ সময় স্থানীয় খোরশেদ মোল্লা নামে এক ব্যক্তি তার কিছু লোকজন নিয়ে মসজিদের কাজে বাধা দেয়। ওই ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হলে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করে মসজিদ নির্মাণ করা হয়। তবে চলতি সপ্তাহে সবাইকে নিয়ে মাদ্রাসা নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়৷ শুক্রবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় আগের বিবাদীগণ মাদ্রাসার খুঁটি তুলে ফেলে এবং ভাঙচুর করে। 

অভিযোগকারী মো: ইসমাইল মোল্যা বলেন, আমার পৈত্রিক সম্পদ ও ওয়াকফকৃত সম্পত্তিতে মসজিদ করেছি, এখন মাদ্রাসা করা হচ্ছে। বিষয়টি মীমাংসিত থানা ও এলাকার মুরুব্বী সবাই জানে। তবুও খোরশেদ ও তার লোকজন নির্মানাধীন মাদ্রাসার খুঁটিগুলো তুলে ফেলেছে এবং ভাঙচুর করেছে। পরে বিষয়টি থানায় জানানো হয়েছে। 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত খোরশেদ আলম বলেন, আমি মাদ্রাসার খুঁটি তোলা বা ভাঙচুর করিনি। এর আগের বার আমি ভাঙচুর করেছিলাম। তবে এবার কারা ভাঙছে আমি বলতে পারবো না। 

কাপাসিয়া থানার উপ-পরিদর্শক এসআই সোহাগ বলেন, সেখানে মসজিদ মাদ্রাসা হবে এটা আমরা জানি। আমরা গিয়ে বলে এসেছি মাদ্রাসা করার জন্য। বালি ফেলা হয়েছে খুঁটিও গাড়া হয়েছে। শুনেছি সেই খুঁটিগুলো তুলে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়