শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:১২ সকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিমানবন্দরে আটক ইন্টারেক্টিভ কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা আল সামির

অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম ইন্টারেক্টিভ কেয়ার এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও রেয়ার আল সামিরকে আটক করা হয়েছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেশত্যাগের সময় তাকে আটক করে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আদাবর থানার ওসি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে বিভিন্ন বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার পর সেই অর্থ ফেরত দেওয়া হয়নি এবং প্রতিশ্রুত মুনাফাও বিতরণ করা হয়নি। বিনিয়োগকারীরা দাবি করছেন, সাম্প্রতিক সময়ে আল সামিরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে; ফোনকল ও অন্য যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না।

কয়েকজন বিনিয়োগকারীর জানিয়েছেন, বকেয়া অর্থের পরিমাণ ১০ কোটি টাকার বেশি।

এ বিষয়ে বিনিয়োগকারী সাদমান বলেন, সামির অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন, কিন্তু এখন কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। কোনো টাকা ফেরত বা মুনাফা পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় আমি মানি লন্ডারিংয়ের সন্দেহও করছি।

আদাবর থানার ওসি মো. জিয়াউর রহমান কালবেলাকে বলেন, প্রতারণার অভিযোগে আল-সামির নামে একজনকে বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়েছে। ইমিগ্রেশন পুলিশের সদস্যরা তাকে আটকের পর আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। তাকে আগামীকাল (২৯ এপ্রিল) আদালতে তোলা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে রেয়ার আল সামির ইন্টারঅ্যাকটিভ কেয়ার্স প্রতিষ্ঠা করেন। কোভিড-১৯ মহামারির সময় অনলাইনভিত্তিক শিক্ষার চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্ল্যাটফর্মটি দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে। প্রতিষ্ঠানটি ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ভাষা শিক্ষা প্রভৃতি বিষয়ে ক্যারিয়ারভিত্তিক কোর্স প্রদান করে থাকে।

পরবর্তীতে স্টার্টআপটি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করে এবং ২০২৩ সালে অ্যাকসেলারেটিং এশিয়া প্রোগ্রামের মাধ্যমে ১ লাখ ডলার বিনিয়োগ পায়। সে সময় এটিই ছিল একমাত্র বাংলাদেশি স্টার্টআপ, যা ওই প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়