শিরোনাম
◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:২১ দুপুর
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তেল নিতে ‘ফুয়েল পাশ’ বাধ্যতামূলক ঢাকার যে ৭ পাম্পে

রাজধানীতে তেল বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। রোববার (১২ এপ্রিল) থেকে ঢাকার ৭টি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য কিউআর কোডভিত্তিক মোবাইল অ্যাপ ‘ফুয়েল পাশ’ ব্যবহার করে তেল নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর উদ্যোগে এই ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। শুরুতে পরীক্ষামূলকভাবে দুটি স্টেশনে কার্যক্রম শুরু হলেও গতকাল শনিবার (১১ এপ্রিল) আরও পাঁচটি স্টেশন যুক্ত হওয়ায় এখন মোট সাতটি স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকরা শুধুমাত্র অ্যাপের মাধ্যমেই পেট্রোল ও অকটেন সংগ্রহ করতে পারছেন।

রাজধানীর যেসব ফিলিং স্টেশনে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো হলো—তেজগাঁও এলাকার ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন, আসাদগেটের সোনার বাংলা ও তালুকদার ফিলিং স্টেশন, মহাখালীর গুলশান সার্ভিস স্টেশন, শাহবাগের মেঘনা মডেল পাম্প, নিকুঞ্জ এলাকার নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টার এবং কল্যাণপুরের খালেক সার্ভিস স্টেশন।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, প্রচলিত ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে তেল বিতরণের ফলে পাম্পগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। এছাড়া একই ব্যক্তি বারবার তেল নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। এই সমস্যা সমাধানে ‘ফুয়েল পাশ’ অ্যাপটি সরাসরি বিআরটিএ-র কেন্দ্রীয় ডেটাবেজের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। 

গ্রাহকদের কারো স্মার্টফোন না থাকলেও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন এবং কিউআর কোডটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন বলেও জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

বলা হয়েছে, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ফিলিং স্টেশনের মালিকেরা ডিজিটাল মাধ্যমে এন্ট্রি করার পরই গ্রাহকদের জ্বালানি তেল বিতরণ করতে পারবেন। কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে একজন গ্রাহক জ্বালানি নিতে পারবেন। সেই সঙ্গে তার জন্য পূর্বনির্ধারিত বরাদ্দের পরিমাণ দেখতে পারবেন।

জ্বালানি বিভাগ আরও জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহ ও বিতরণের অবস্থা তাৎক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা যাবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বাড়বে, অনিয়ম ও অপচয় কমবে এবং সংকটকালীন সময়ে কার্যকরভাবে জ্বালানি ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়