শিরোনাম
◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা! ◈ জেল থেকে ফিরে নানা আলোচনার কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী, সরগরম চুনকা কুঠির ◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৫:৫৭ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উত্তরা ইপিজেডে কারখানা বন্ধের ঘোষণায় সংঘর্ষে এক শ্রমিক নিহত, আহত অন্তত ১২ জন

নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ১২ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শ্রমিকের নাম হাবিবুর রহমান। ইকু ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি নিটিং কারখানায় কাজ করতেন তিনি।

গত শনিবার থেকে ২৩ দফা দাবিতে এভারগ্রিন কোম্পানির শ্রমিকরা আন্দোলন করে আসছেন।

শ্রমিকদের বরাত দিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান, আন্দোলনরত শ্রমিকদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে জেনারেল ম্যানেজারের পদত্যাগ, পুরাতন শ্রমিকদের ছাঁটাই বন্ধ করে পূর্বের লে অফ সিস্টেমে ফেরত আনা, নামাজের সময় নিশ্চিত করা, স্যালারি কার্ড বাতিল করা।

এছাড়া কোনো শ্রমিক স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলে লে অফ পদ্ধতিতে বের করা, পুরাতন শ্রমিকদের পূর্বের আইডিতে পুনর্বহাল করাসহ ২৩টি দাবিতে আন্দোলন করছিলেন শ্রমিকরা।

সংঘর্ষের মূল কারণ প্রসঙ্গে স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান, গতকাল রাতে মাইকিং করা হয়েছিল এভারগ্রীন কোম্পানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। অথচ মাসের প্রথম তারিখে যে বেতন দেওয়ার কথা সেই বেতন দেওয়া হয়নি। দুই মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে।

স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান সকালে শ্রমিকরা ইপিজেড গেটে প্রবেশ করতে গেলে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেখেন। পরে তারা ইপিজেডের সামনের সড়কে অবস্থান নেন।

এ সময় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে তাদের সরে যেতে বলে।

এক পর্যায়ে শ্রমিকদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরে লাঠিচার্জ ও গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ ও সেনাবাহিনী।

সাদিকুল ইসলাম নামে একজন শ্রমিক বলেন, “অফিস বন্ধ অথচ তাদের নিজস্ব লোকজন ভেতরে প্রবেশ করছে, আবার বেরও হচ্ছে। শ্রমিকদের সমস্যা হলে আমরা কোথায় বিচার চাইবো?"

"বেপজার (বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ) কাছে অভিযোগ দিলে কোনো সমাধান পাই না। যে গিয়ে অভিযোগ করে তার চাকরি থাকে না। আমরা যে শ্রম দেই সেটা কি শ্রম নয়? আমরা কি ন্যায্য বিচার পাব না?”- বলেন তিনি।

নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. তানজিরুল ইসলাম ফারহান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “মৃত অবস্থায় নিহত হাবিবকে হাসপাতালে আনা হয়। তার বুকে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তবে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা সম্ভব নয়।”

এদিকে, নীলফামারী সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এম আর সাঈদের সাথে মুঠোফোন একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। উৎস: বিবিসি বাংলা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়